বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ১০৮তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে বেরোবি প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস রহমানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে প্রক্টর বলেন, ‘যখন এনসিপি নেতারা আসে, তখন তো পা চাটো।’
আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২-এর ভার্চুয়াল কক্ষে জাতীয়তাবাদী ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা আয়োজন করা হলে প্রতিবাদ করেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নয়ন ইসলাম বলেন, ‘রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যাচ্ছে নামে-বেনামে বিভিন্ন সংগঠন রাজনীতি চালুর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেটার জন্য আজকে আমরা লক্ষ করেছি, জাতীয়তাবাদী ফোরামের নামে রাজনৈতিক একটি প্রোগ্রাম হচ্ছে এখানে। কিন্তু প্রক্টর তা অস্বীকার করেছেন।’
আরেক শিক্ষার্থী রিশাদ নুর বলেন, ‘আমি একটি ব্যানার দরজায় লাগানোর চেষ্টা করি। তখন ছাত্রদলের একজন তা ছিঁড়ে ফেলে। এরপর বাগ্বিতণ্ডা হয়। প্রক্টর স্যার দুই পক্ষকে আলাদা করে দেন । আমরা এখানে বসেছিলাম যে, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে দেওয়া যাবে না।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, এখানে কোনো সংগঠনের নিবন্ধন নেই। আজকে যে প্রোগ্রাম হচ্ছে, তার অনুমতি নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাংবাদিকদের প্রোগ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হয়নি। যে সময় ঢুকতে চাইছিলা, প্রোগ্রামটা তখনো ভালোভাবে শুরু হয়নি।’