ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভুল্লি এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুল্লি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শুক্রবার রাতে নিহত যুবকের বাবা বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় ওই যুবকের স্ত্রী ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে আজ (শনিবার) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি নিহতের শ্বশুর জামাল উদ্দিন পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার খলিশাকুড়ি গ্রামের জামাল উদ্দিনের স্ত্রী রোকেয়া খাতুন (৪৮) ও মেয়ে রুপা আক্তার (২১)।
নিহত যুবকের নাম মো. সুমন (২২)। তিনি উপজেলার বড় বালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, এক বছর আগে সুমনের সঙ্গে রুপা আক্তারের বিয়ে হয়। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমন শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে স্ত্রী রুপার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি ও মনোমালিন্য হয়। তখন স্ত্রীর ওড়না হাতে নিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেন। পরে রাত ৯টার দিকে ঘরের দরজা লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে বাড়ির লোকজন সুমনকে উদ্ধার করে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূল্লী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়ে তদন্ত চলছে।’