পরিবহন ধর্মঘটকে উপেক্ষা করে পায়ে হেঁটে, নৌকা, রিকশা, ইজিবাইকে করে এক দিন আগেই বিএনপির সমবাশেস্থলে এসে পৌঁছেছেন নেতা-কর্মীরা। আজ শুক্রবার সকাল থেকেই দলে দলে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সম্মেলনের মাঠে প্রবেশ করছেন।
দুপুর ১২টায় কথা হয় সমাবেশে যোগদান করতে আসা কুড়িগ্রামের রৌমারী যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সরকার গাড়িঘোড়া বন্ধ করেছে, পথ বন্ধ করতে পারেনি। ভোরেই পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী পায়ে হেঁটে রৌমারী থেকে রওনা দিয়েছি। নৌকা, রিকশা, ইজিবাইকে করে কালেক্টরেট মাঠে দুপুরে আসলাম। আজ রাতে মাঠেই অবস্থা করব আমরা।’
সমাবেশে যোগ দিতে আসা লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বাউরা এলাকার হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘কোথাও কোনো গাড়ি নাই। সরকার, পরিবহন মালিকেরা যোগসাজশ করে গাড়ি বন্ধ করেছে। এখন ১০০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা দিয়ে সমাবেশে আসতে হচ্ছে। আমরা ১ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী এরই মধ্যে এসেছি। আরও হাজার হাজার লোক আসতেছে।’
বিভাগীয় সমাবেশকে ঈদের আমেজ উল্লেখ করে কুড়িগ্রাম থেকে আসা বিএনপির সমর্থক মানিক, পলাশ ও আজমির জানান, কুড়িগ্রাম থেকে এরই মধ্যে ৫ হাজারের বেশি মানুষ রংপুরে এসেছেন। তাঁরা সমাবেশের মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছেন।
আগামীকাল শনিবার রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। সভাস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে রংপুর কালেক্টর ঈদগাহ মাঠ। সমাবেশের আর মাত্র এক দিন বাকি। শেষ মুহূর্তে নগর ও সমাবেশের মাঠজুড়ে চলছে সাজ সাজ রব। সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠে অবস্থান করছেন। সমবাবেশ যেকোনো মূল্যে সফল করতে সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির নেতা-কর্মীরা।
রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও সম্মেলন কমিটির সভাপতি শামসুজ্জামান সামু বলেন, রাত থেকেই বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে আসতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে ৪০ হাজার লোক রংপুরে প্রবেশ করেছে। সার্বিক দিক নিয়ে বিকেল ৪টায় আমরা সমাবেশস্থলে সংবাদ সম্মেলন করব।