দিনাজপুর: করোনার সময় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ফল খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন কমবেশি সবাই। ফলে রমজানে ইফতারের তালিকায় সবাই ফল রাখছেন। এতে চাহিদা সবধরনের ফলের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু এরই সুযোগ নিয়ে দিনাজপুরের কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সবধরনের ফলের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দিয়েছেন।
ফল ব্যবসায়ী বাবুল হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় এবং লকডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকায় সব ধরনের ফল এর দাম পাইকারি বাজারে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে।
দিনাজপুর বাহাদুর বাজারের ফল ব্যবসায়ী দুলাল বলেন বলেন, আমদানি নেই বলে ফলের দাম বেশি। আমাদের আগে থেকে মজুদ ছিল বলে এই দামে দিচ্ছি।
বর্তমানে কমলা, বেদেনার দাম একই থাকলেও পেয়ারা, আপেল, আঙ্গুর ও আনারসের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তরমুজ কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে।
পাশাপাশি রমজানে খেজুরের চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেড়েছে খেজুরের। মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে, ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজিতে। আজুয়া খেজুর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। খোলা সাধারণ খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।
ফল কিনতে আসা আব্দুর রশিদ বলেন, ইফতারির জন্য খেজুর কিনতে এসেছিলাম। ভালো মানের খেজুরের দাম একটু বেশি হলেও সাধারণ খেজুর দাম সাধ্যের মধ্যেই আছে।