হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

রাজশাহী শহরে এখনো রিকশায় ঘুরছেন ভূমিমন্ত্রী মিনু

রিমন রহমান, রাজশাহী 

রাজশাহী শহরে অটোরিকশায় চড়ে বেড়িয়ে পড়েন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজশাহী শহরে মিজানুর রহমান মিনুকে গাড়িতে চড়তে দেখা যায় না বললেই চলে। সকালে রিকশায় চড়ে সবজির বাজারে যান। আবার রিকশা নিয়েই ফেরেন। দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিতে যান রিকশায় চড়ে। মিজানুর রহমান মিনু এবার ভূমিমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু রাজশাহীতে তাঁকে দেখা যাচ্ছে সেই চিরচেনা রূপে। রিকশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

মিজানুর রহমান মিনুর ১০ বছরের সঙ্গী রিকশাচালক আব্দুল কুদ্দুস। আজ শনিবার সকালেও নগরের ভদ্রা এলাকার বাড়ি থেকে কুদ্দুসের রিকশায় চড়ে বসেন মিনু। প্রতিদিনের মতো এ দিনও চলে যান সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে। প্রাতর্ভ্রমণে বের হওয়া বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দেন।

এরপর সাহেববাজারে একটি কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দুপুরে ফেরার পথে দড়িখড়বোনার একটি সেলুনে যান। খুব সাধারণ এই সেলুনটিতে ৪০ বছর ধরে আসেন তিনি। সেলুন থেকে বেরিয়ে আবারও রিকশায় চড়ে বাড়ি যান মিনু।

তখনই তাঁকে রিকশায় চড়ে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়। মিজানুর রহমান মিনু রিকশায় চড়ে যাওয়ার পথে হাসিমুখে হাত তুলে সাধারণ মানুষকে সালাম দেন। সাধারণ মানুষও হাসিমুখে সালাম দেন তাঁকে। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত সহকারী আব্দুর রব পান্না।

মিজানুর রহমান মিনু ৩২ বছর বয়সে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। দায়িত্ব পালন করেছেন টানা ১৭ বছর। মেয়র থাকাকালে ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি সদর আসনের সংসদ সদস্যও হন। পরে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেয়র হওয়ার আগে থেকে তিনি শহরে রিকশায় ঘুরে বেড়ান। ভোটের প্রচারণার সময়ও শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত গণসংযোগে যান রিকশায় চড়ে। এবার সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সময়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁকে দেখা গেছে রিকশায়।

রিকশাচালক আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ি ভদ্রা জামালপুর এলাকায়। তিনি বলেন, ‘আমার রিকশাতেই মিনু ভাই পুরো শহর ঘুরে বেড়ান। আজও তিনি সরকারি গাড়ি নেননি। আমার রিকশাতেই বের হয়েছেন। একজন মন্ত্রী হয়েও তিনি রিকশায় ঘুরছেন, এটা আমার কাছেও ভালো লাগছে।’

দুপুরে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ মুর্শেদ ইভান। তিনি বলেন, ‘তিনি সব সময় বলেন যে রাজশাহী শহর তাঁকে মেয়র, এমপি বা মন্ত্রী হিসেবে চেনে না। তিনি কারও ভাই, ভাতিজা, চাচা। এ পরিচয়ে তাঁকে সবাই চেনে। তিনি খুব সাধারণভাবেই চলেন। মন্ত্রী হয়েও আজও তিনি সকালে বের হয়েছেন রিকশায়। এখন বাড়িও ফিরলেন রিকশায়। তিনি আসলে সাধারণ মানুষের নেতা।’

মিজানুর রহমান মিনুর সঙ্গে ১১ বছর ধরে থাকেন আব্দুর রব পান্না। তিনি জানালেন, আজ সকালে প্রটোকল দেওয়ার জন্য পুলিশের গাড়ি এসেছিল। সরকারি গাড়িও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু তিনি গাড়িতে যাননি। কোনো প্রটোকলও নেননি। আগের মতোই একা একা বেরিয়ে পড়েন রিকশায়।

পান্না বলেন, ‘আমি ১১ বছর ধরে তাঁর সঙ্গে আছি। এভাবেই তাঁকে দেখছি। তিনি সব সময় জনগণের সঙ্গে মিশতে চান। মানুষের কাছাকাছি থাকতে চান।’

বগুড়ায় চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪ জন কারাগারে

বগুড়ায় চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অকৃত্রিম: সহকারী হাইকমিশনার

শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন

রাসিকের ৩ নম্বর ওয়ার্ড: হাইকোর্টের আদেশ না মেনে টিসিবির তালিকা প্রণয়ন

‘আমি পালাতে চাই না, দেশের মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই’

রাসিকের ১২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র: বেতন কমে অর্ধেক, তবু মিলছে না

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন

রাবিতে জোহা দিবস পালিত, ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস’ ঘোষণার দাবি

নারী শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে রুয়েটের ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার