হোম > সারা দেশ > নাটোর

ঈদ উপলক্ষে ব্যস্ত লালপুরের কামারেরা

প্রতিনিধি, লালপুর (নাটোর)

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাটোরের লালপুরের কামারেরা। লকডাউন শিথিল হওয়ায় তাঁরা কোরবানির গোশত কাটার কাজে ব্যবহৃত দা, ছুড়ি, বটি তৈরি ও মেরামত কাজে দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আজ শনিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পশু জবাই ও গোশত তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দাম ও নানা আকারের ছুরি তৈরির কাজ করছেন কামারিরা। প্রতিটির দাম বলা হচ্ছে ৫০ থেকে ১০০০ টাকা।

লালপুর কলেজ মোড় কামার পল্লির নব কর্মকার জানান, ৪৫ বছর যাবৎ এ কাজ করছেন। বাপ দাদার এ পেশায় বর্তমানে তাঁর ছোট ভাইসহ আরও দুই ছেলে এ কাজে তাঁকে সাহায্য করেন।

মোহরকয়া গ্রামের সোনা কর্মকার (৭০) জানান, তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে এ পেশায় আছেন। তাঁর ছেলে ও নাতিরাও এ পেশার সঙ্গে জড়িত।

উত্তরলালপুর গ্রামের রাজকুমার সরকার (৩২) বলেন, একজন কারিগর নিয়ে প্রায় মাস ধরে কোরবানি জন্য ছুরি তৈরি করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো ফুরসত পাচ্ছি না। লকডাউন শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকার পশুহাটগুলো জমে উঠেছে। এরই মধ্যে অনেকে অস্ত্র সংগ্রহ করতে কামারশালায় ভিড় করছেন।

লালপুর বাজারের দুলাল কামার বলেন, এক মণ পাথর কয়লা ১৮ শত থেকে দু'হাজার টাকায় কিনতে হয়। কাঠ কয়লা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। প্রতি কেজি লোহা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় কিনতে হয়। চাপাতি বানানোর স্প্রিং ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় কিনতে হয়। সেই তুলনায় মজুরি পাওয়া যায় না। তাই অনেক লোকসানের মধ্যে পড়তে হয়।

কামারের কাছে আসা বুধপাড়া গ্রামের মাহমুদ হাসান জানান, এবার কোরবানিতে একটি ছাগল কিনেছি। গোশত তৈরির জন্য কামারের দোকানে অস্ত্র মেরামত করার জন্য এসেছেন। কিন্তু দোকানে অনেক ভিড় থাকায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত

গণভোটের ব্যালটের টিক চিহ্ন মানেই ঠিক: আলী রীয়াজ

ট্রায়াল দেওয়ার নামে গাড়ি নিয়ে লাপাত্তা যুবদল নেতাকে বহিষ্কার

ব্রেনের চিকিৎসা করতেন এইচএসসি পাস নুরুল, ৬ মাসের জেল

দুই সহযোগীসহ ‘চাঁদাবাজ’ চান সওদাগর আটক, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

লবণের কার্গো ট্রাকে মিলল ১২৬ কেজি গাঁজা

জামায়াতে ইসলামীতে কেউ স্বাধীনতাবিরোধী নয়: মেজর আখতারুজ্জামান

দেশে ১৭ লাখ ৮০ হাজার শিশু শ্রমে নিযুক্ত: সচিব

রাজশাহীতে হেরোইনসহ দম্পতি গ্রেপ্তার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ ভারতীয় নাগরিক আটক, বিএসএফের কাছে হস্তান্তর