উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সিরাজগঞ্জে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ লক্ষ করা গেছে। যেকোনো উপায়ে ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক ও পিকআপে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে অসংখ্য মানুষকে।
মহাসড়কজুড়ে তৎপর থাকতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। ড্রোন দিয়ে যানবাহন চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার, হাটিকুমরুল থেকে রায়গঞ্জ উপজেলা চান্দাইকোনা এবং হাটিকুমরুল থেকে শাহজাদপুর পর্যন্ত মহাসড়কে সাত শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া ছয়টি রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করবে পুলিশ।
মোটরসাইকেলচালক রনি বলেন, উত্তরা থেকে রওনা হয়েছি ভোর ৫টায়। টাঙ্গাইলে তীব্র যানজটের কবলে পড়তে হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোল প্লাজায় ২ ঘণ্টা আটকে ছিলাম। দুপুর ১২টায় সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড়ে এসে পৌঁছলাম। মোটরসাইকেল টোল এলাকার সিস্টেম ভালো না। অনেক সময় লাগছে সেতু পার হতে। প্রচুর সংখ্যক মোটরসাইকেল সেতুর পূর্ব পাশে টোল প্লাজায় আটকে পড়ে আছে।’
ঢাকার গাউছিয়া থেকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়াগামী বাসযাত্রী আবুল কালাম বলেন, বিশাল যানজটের কবলে পড়তে হয়েছে। ছোট ছেলে, স্ত্রী নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মহাসড়কে আটকে থাকতে হয়েছে। রাত ১১টায় রওনা হয়েছি, এখন দুপুর ১২টা বাজে সিরাজগঞ্জের কড্ডায় এসে পৌঁছালাম।’
পিকআপ ভ্যানের চালক আইয়ুব আলী বলেন, ‘টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জের কড্ডায় আসতে চার ঘণ্টা সময় লেগেছে। সেতুর পূর্ব পাড়ে আটকে ছিলাম। প্রচুর জ্যাম। তবে সিরাজগঞ্জে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’
বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, সেতুর পশ্চিম থেকে উত্তরের মহাসড়কে যান চলাচল একদম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সকাল থেকে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।