পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার ধাওয়া ইউনিয়নের ধাওয়া গ্রামে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে পিস্তলের আঘাতে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার ৫ নম্বর ধাওয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধাওয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই দিন বিকেলেই পিস্তলসহ রফিকুল ইসলাম সম্রাট নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান।
সম্রাট ধাওয়া ইউনিয়নের ধাওয়া এলাকার মৃত মো. আলী হাওলাদারের ছেলে। আহত মো. আলমগীর হোসেন সরদার (৬৫) ধাওয়া গ্রামে মৃত আব্দুর রশিদ সরদারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রফিকুল ইসলাম সম্রাট প্রতিবেশী আলমগীর সরদারের বাড়িতে যান। এ সময় জমির সীমানা নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় আলমগীরের নাতি মো. তামীম সরদার (১৫) সম্রাটকে ধাক্কা দিলে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সম্রাট তাঁর সঙ্গে থাকা পিস্তল বের করে পরপর দুটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। গুলির বিকট শব্দে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আলমগীর সরদার তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলে সম্রাট পিস্তলের বাঁট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সম্রাটকে আটক করে। স্বজনেরা আহত আলমগীরকে উদ্ধার করে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় আহতের মেয়ে ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে ভান্ডারিয়া থানায় সম্রাটকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন।
ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অস্ত্রসহ আটক রফিকুল ইসলাম সম্রাটকে পিরোজপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান।