২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক নারী। বিরোধী দলকে ভোট দেওয়ায় ঘরে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে সেই নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। আজ বৃহস্পতিবার সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন সেই নারী। এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও তাঁকে ভোটের পরে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এক মেম্বার পদপ্রার্থী—এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী সেই নারী জানান, চরজুবলি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ফুটবল প্রতীকের মেম্বার পদপ্রার্থী আবদুল মালেক কন্ট্রাক্টর ভোটের আগে তাঁর পক্ষে কাজ না করায় ভোটের পরে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। অনেকটা আতঙ্ক আর উৎকণ্ঠা নিয়ে তিনি এসেছেন ভোট দিতে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোটও দিয়েছেন। ভোট দেওয়ার সময় তাঁকে কেউ কোনো বাধা দেয়নি। তবে ভোটের পর পরিস্থিতি কী হবে তা নিয়ে বেশ ভয়ে রয়েছেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছেলে সিএনজি অটোরিকশা চালায়। মালেক মেম্বার তাঁকে রাতের আঁধারে অপহরণ করে নিয়ে গুম করে ফেলবে বলেও হুমকি দিচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে আবদুল মালেক কন্ট্রাক্টর বলেন, ‘আমিও বিএনপি করি, সেও (ভুক্তভোগী নারী) বিএনপি করে। তাঁকে আমি কেন হুমকি দেব? সে তো আমার দলের লোক। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমি তাকে কোনো হুমকি-ধমকি দিইনি।’
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) দীপক জ্যোতি খীসা বলেন, এ বিষয়ে ওই নারীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হবে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।