নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা এলাকার বাইপাস মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মা, দুই মেয়ে ও এক অটোরিকশাচালকের মৃত্যুর পরদিন সেখানে স্পিড ব্রেকার নির্মাণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির পর প্রশাসনের উদ্যোগে আজ সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা মহাসড়কের ওই স্থানে দুটি স্পিডব্রেকার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
গতকাল রোববার চল্লিশা বাসপাই মোড়ে যাত্রীবাহী বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হন। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মহাসড়ক অবরোধ করে যানবাহনের গতিনিয়ন্ত্রণে বাইপাস সড়কের সংযোগস্থলে স্পিডব্রেকার ও গোলচত্বর নির্মাণের দাবি জানান। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি দ্রুত স্পিড ব্রেকার নির্মাণ এবং ভবিষ্যতে গোলচত্বর নির্মাণের আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। প্রশাসনের সেই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতেই সোমবার দুপুরে দুর্ঘটনাস্থলে স্পিডব্রেকার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ আলনূর সালেহীন বলেন, স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা হচ্ছে। বাইপাস সড়ক চালু হলে সেখানে একটি গোলচত্বরও নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারি বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে আজই স্পিডব্রেকার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, গতকাল দুর্ঘটনার পর জনগণের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত স্পিডব্রেকার নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।