হোম > সারা দেশ > নেত্রকোনা

নেত্রকোনায় শূন্য পাস কলেজের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি, এক দিনে তিনবার বদল

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ। ছবি: আজকের পত্রিকা

এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নেত্রকোনায় শূন্য পাস করা কলেজের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসনের পাঠানো তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে তিন দফায় পরিবর্তন হয়েছে কলেজের সংখ্যা। এতে গণমাধ্যমকর্মী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এর পরপরই ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীন নেত্রকোনা জেলার ফলাফল নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসন থেকে গণমাধ্যমে লিখিত বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়।

সেদিন দুপুরে পাঠানো প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলার তিনটি কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পাস করা কলেজের সংখ্যা তিনটি থেকে বাড়িয়ে পাঁচটি বলে জানানো হয়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। তবে শনিবার রাতে শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলের মূল শিট পাওয়ার পর রোববার নতুন করে জানানো হয়, জেলায় শূন্য পাস করা কলেজের সংখ্যা পাঁচটি নয়, ছয়টি।

অর্থাৎ, এক দিনের ব্যবধানে তিন দফায় পরিবর্তন হয়েছে শূন্য পাস করা কলেজের সংখ্যা। দুই ঘণ্টার ব্যবধানেই এ সংখ্যা তিনটি থেকে বেড়ে পাঁচটিতে দাঁড়ায়।

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবির আহাম্মদ বলেন, ‘এমন ঘটনায় আমরা নিজেরাও বিব্রত। ফল প্রকাশের পর সবাই দ্রুত ফলাফল জানতে চান। দ্রুত তথ্য সরবরাহ করতে গিয়ে এমনটি হয়েছে। শিক্ষাবোর্ড থেকে শনিবার দিনের বেলায় আমাদের কাছে ফলাফল পাঠানো হয়নি। ফোনে বা অন্যভাবে তথ্য জেনে সদর শিক্ষা অফিস আমাদের দিয়েছে। সেটি গণমাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনটি কলেজে কেউ পাস করেনি বলে জানানো হয়। কিছু সময় পর আরও দুটি কলেজের তথ্য পাওয়ায় নতুন বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। শনিবার রাতে শিক্ষাবোর্ডের ফলাফলের শিট পাওয়ার পর জানা যায়, শূন্য পাস করা কলেজের সংখ্যা ছয়টি। তাই রোববার সংশোধিত তথ্য জানানো হয়েছে।’

জাহাঙ্গীর কবির আহাম্মদ বলেন, বোর্ডভিত্তিক ফলাফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষাবোর্ড থেকে সরাসরি জেলা শিক্ষা অফিস অথবা জেলা প্রশাসনের কাছে ফলাফলের কপি পাঠানো হলে এমন বিভ্রান্তি তৈরি হতো না। বিষয়টি নিয়ে আমরা সত্যিই বিব্রত।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার নেত্রকোনা জেলার ১০টি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১৩ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৮৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এবার জেলায় শূন্য পাস করা ছয়টি কলেজ হলো—জেলা সদরের ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন কলেজ, কেন্দুয়া উপজেলার গোপালপুর মডেল কলেজ, কলমাকান্দা মহিলা কলেজ, পূর্বধলার খলিশাপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কলেজ শাখা, এম্বিশন মডেল কলেজ এবং জোবায়দা জহুর উদ্দিন সরকার মহিলা কলেজ।

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: গ্রেপ্তার দুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

নেত্রকোনায় এক মাসে কোটি টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য জব্দ

বিশ্বযুদ্ধের প্রেমের যাত্রা থেমেছিল হাওরে, কুলপতাক গ্রামে শায়িত তিন অস্ট্রেলীয়

নেত্রকোনায় পাঁচ কলেজে ৩০ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ

তিন শিক্ষকের কলেজে শিক্ষার্থী একজন, দ্বিতীয়বারও পাসের মুখ দেখেনি

নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরও দুজন গ্রেপ্তার

নেত্রকোনায় পারিবারিক বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত

সীমান্তে ১২ ভারতীয় গরুসহ আটক ২ চোরাকারবারি

কেন্দুয়ায় ২ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, বাবা-ছেলে নিহত

শতবর্ষী ধর্মপল্লি থেকে চুরি হওয়া ৪০ কেজির সেই ঘণ্টা উদ্ধার