নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৯০ হাজার ৫৬৮ ভোট। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী কলস প্রতীকে তাইফুল ইসলাম টিপু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ১৭৩ ভোট।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টায় নাটোরের জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী আসনটিতে জামানত হারাচ্ছেন সাতজন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের মো. আব্দুল্লাহিল বাকি পেয়েছেন ১ হাজার ২৬৯ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মো. সাহেদ আলী জিন্নাহ ৫৫২, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী ট্রাক প্রতীকে মো. সোহাগ হোসেন ২৯৮, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী মাথাল প্রতীকে মো. সেন্টু আলী ২৮১, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী কোদাল প্রতীকে মো. আনসার আলী ২৭৬, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন হরিণ প্রতীকে ১১৫ ভোট এবং ঘোড়া প্রতীকে মো. ইয়াসির আরশাদ রাজন পেয়েছেন ৭৮ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে লালপুর উপজেলার ৮৪ ও বাগাতিপাড়া উপজেলার ৪১টি মোট ১২৫ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৮ হাজার ২৭৬ জনের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৯৫ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৭৯ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন। আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৯টি। বাতিল ভোট ৫ হাজার ৭১টি। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৫৮টি। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭৪ দশমিক ৫১। সে অনুযায়ী একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ১৩ হাজার ৭২০ ভোট পেতে হবে।