নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ মাহমুদা বেগমের (৪৫) ছয় মাসের গর্ভের বাচ্চাকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা করেন।
মামলার পরপরই মদনগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন-বন্দর থানার মদনগঞ্জ ইসলামপুর এলাকার হযরত আলীর ছেলে হাসান (২৬), তাঁর স্ত্রী আইরিন (২২) ও তাঁর ছোট ভাই হোসেন (২৪)। এখনো পলাতক আছেন একই এলাকার মৃত খাদেমের ছেলে হযরত আলী (৫২) ও মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর (৫২)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মদনগঞ্জ ইসলামপুর এলাকার মৃত আলী আকবর মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমানদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ হযরত আলী ও তাঁর দুই ছেলের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর আসামিরা তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বাদীর মেয়ে শাহিনূর ও তামান্নাকে মারধর করে। তাঁদের চিৎকারের শব্দ শুনে মাহমুদা বেগম এগিয়ে এলে তাঁর গাঁয়ে ইট ছুড়ে মারা হয়। এতে গুরুতর আহত হন মাহামুদা।
স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। গত ৫ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাহমুদা মৃত বাচ্চা প্রসব করে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, 'গর্ভের বাচ্চা হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত মহিলাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।'