দুর্নীতি ও অশালীন আচরণের অভিযোগ তুলে নড়াইল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ও এক প্রশিক্ষককে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। পরে পদত্যাগপত্র লিখে অধ্যক্ষ ও প্রশিক্ষকের স্বাক্ষর নেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুনের বিরুদ্ধে মেসের টাকা আত্মসাৎ, শিক্ষার্থীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, ডিজিএনএম বরাদ্দ করা সব টাকা আত্মসাৎ, ফরমেটিভ মার্কের ভয় ও জীবননাশের হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এসব অভিযোগে সকাল ১০টার দিকে কলেজ চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।
পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের কক্ষে অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুন ও প্রশিক্ষক রেকসোনা পারভীনকে অবরুদ্ধ করেন। এ সময় ওই দুজনের পদত্যাগ ও সব দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু জবাবদিহি এবং আত্মসাৎ করা টাকা ফেরতের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা পদত্যাগপত্র নিয়ে গেলে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ও প্রশিক্ষক তাতে স্বাক্ষর করেন। তবে শিক্ষার্থীরা দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু জবাবদিহি ও আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ওই দুজনকে কোথাও যেতে বাধা দেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ আফরোজা খাতুন বলেন, ‘আমি কোনো অর্থ আত্মসাৎ কিংবা কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই।’
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বলেন, নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষকে শিক্ষার্থীরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।