শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যের বিরুদ্ধে গৃহবধূ ধর্ষণচেষ্টার মামলা হয়েছে। তবে আসামির দাবি, তাঁকে ধারের টাকা ফেরত না দিতে ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেছেন।
উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আবুল হাশেমের (৪০) বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার রাতে নালিতাবাড়ী থানায় ওই গৃহবধূ মামলা করেন বলে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান।
আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, গৃহবধূর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। আসামি ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বেশ কয়েক দিন ধরে আবুল হাশেম গৃহবধূকে ‘কুপ্রস্তাব’ দিচ্ছিলেন। কিন্তু রাজি না হওয়ায় মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে গৃহবধূকে পুলিশ দিয়ে হয়রানির ভয় দেখান তিনি। গত রোববার রাত ৮টার দিকে ওই নারীর রিকশাচালক স্বামী বাইরে ছিলেন। তখন হাশেম ওই গৃহবধূর বাড়ি যান; তাঁর কড়া নাড়ার পরও ওই গৃহবধূ দরজা খোলেননি।
একপর্যায়ে তিনি লাথি দিয়ে দরজার খিল ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন ও তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর কিশোর ছেলের (১৪) ঘুম ভেঙে যায়। পরে ঘরে থাকা লোহার শাবল নিয়ে ওই গৃহবধূ তাড়া করলে হাশেম পালিয়ে যান। এদিকে গৃহবধূর ঘরের দরজা ভাঙার শব্দে প্রতিবেশী এক নারীও সেখানে উপস্থিত হন।
এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে ইউপি সদস্য আবুল হাশেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীর কাছে ৪৭ হাজার টাকা পাই। পাওনা টাকার জন্য আমি ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলাম। টাকা যাতে না দেওয়া লাগে তার জন্য তাঁরা নাটক সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন।’