ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফয়সাল আহমেদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সঠিক নয়।
সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
এর আগে একই দিন আজকের পত্রিকার অনলাইনে ‘কাজ না করেই ৬০ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করে ইউএনও তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় হালুয়াঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি জুলফিকার আলী জুলমত জানতে চান, টেন্ডার ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ছাড়া কীভাবে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জবাবে ইউএনও ফয়সাল আহমেদ বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগে।
এ সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি জানতে চান, অর্থবছর শেষ হয়ে আগস্ট মাস শুরু হলেও প্রকল্পের কাজ এখনো দৃশ্যমান নয় কেন। জবাবে ইউএনও বলেন, নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু ও শেষ না করায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে শোকজ করা হয়েছে।
পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ইউএনও।
উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে মোট ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ থাকলেও কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউএনও মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘প্রকাশিত প্রতিবেদনে শুধু আমার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরাও সরাসরি সম্পৃক্ত। সংবাদে তাদের বিষয়টিও তুলে ধরা উচিত ছিল।’