হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

আড়তের ব্যবস্থাপককে হত্যার পর লাশ রাখা হয় ড্রামে

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় এক আড়তের ব্যবস্থাপককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর লাশ ড্রামে রেখে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

এর আগে গতকাল বুধবার রাতে তাঁকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। 

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

নিহতের নাম ইছাহাক আলী (২৮)। তিনি উপজেলার আছিম বাজারে একটি ডিমের আড়তের ব্যবস্থাপক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বুধল গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে। 

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, আছিম বাজারের কান্দানিয়া সড়কের তিতারচালা গ্রামে দেড় বছর ধরে ভাড়া থাকে ইছাহাক আলী। তিনি ওই বাজারের একটি ডিমের আড়তের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। ইছাহাক ট্রাকবোঝাই করে বিভিন্ন জেলায় ডিম নিয়ে যেতেন। গতকাল কোনো একসময় তাঁর ভাড়া বাসায় দুর্বৃত্তরা অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ বড় প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে রেখে গেছে। 

ডিমের আড়তের স্বত্বাধিকারী ওয়ালিউর রহমান বলেন, বগার বাজার ও আছিম বাজারে সোনালী ব্যাংক থেকে ইছাহক টাকা তোলেন। তাঁর সঙ্গে ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে অর্থের কারণেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 

নিহতের ছোট ভাই সোহাগ বলেন, কয়েক দিন আগে বগার বাজারের ডিম বহনকারী পিকআপ চালানো ছেড়ে দেন ইছাহক। পরে জামালপুরের বকশীগঞ্জের সেলিমকে পিকআপের চালক হিসেবে নেওয়া হয় তাঁকে। 

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন ব্রাঞ্চ বিষয়টি তদন্ত করছে।

ময়মনসিংহে সড়কে মিনিবাস উল্টে নিহত ২

ময়মনসিংহে শান্তি ঐক্য বজায় রাখতে শপথ নিলেন এমপি প্রার্থীরা

সকালে মানববন্ধন, বিকেলে ইউএনওর বদলি বাতিল

গফরগাঁওয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলি

মুক্তাগাছায় ঘরে ঢুকে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ভালুকায় অটোরিকশার ধাক্কায় কৃষক নিহত

ময়মনসিংহে ল্যাম্পপোস্ট চুরি করতে গিয়ে দুই যুবকের মৃত্যু

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন: আলী রীয়াজ

সড়কের পাশে ছুড়ে ফেলা কার্টন থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরে বাবার হাতে শিশুকন্যা নিহত, আরেক সন্তান আহত