জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জুমান তালুকদারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাঁর স্ত্রী মাফিয়া ইসলাম রোমকী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের মালিবাগ এলাকায় জুমান তালুকদারের নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাফিয়া ইসলাম রোমকী বলেন, ‘আমার স্বামী জুমান তালুকদার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। গত ২৮ নভেম্বর বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যাপক রদবদল হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে শাহিনা বেগমের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর ২২ ডিসেম্বর সকালে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকায় রওনা দেন জুমান তালুকদার। ২৪ ডিসেম্বর সকালে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষে ঢাকায় তাঁর বড় বোনের বাসায় রাত্রী যাপন করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে মাফিয়া ইসলাম রোমকী আরও বলেন, ‘এদিকে ২৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতির বাড়িতে ডাকাতির নাটক সাজানো হয়। ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে আমি আমার মেয়েসহ পাখিমার আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হলে প্রথম বকশীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হই। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হই আমি।’
‘গত ১ ফেব্রুয়ারি আমার ওষুধ কিনতে ফার্মেসিতে যাওয়ার সময় জুমান তালুকদারকে জামালপুরের ডিবি পুলিশ আটক করে। পরে আমিসহ আমার পরিবারের সদস্যরা জানতে পারি শাহিনা বেগমের সাজানো মামলায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। আমি এই মামলা দ্রুত প্রত্যহার ও আমার স্বামীর মুক্তি চাই।’ যোগ করেন মাফিয়া ইসলাম রোমকী।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাহিদুল ইসলাম জুম্মান তালুকদারের মা জুলেখা বেগম, মেয়ে জান্নাত, জেসিয়া প্রমুখ।
এ বিষয়ে জানতে বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিনা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।