মুন্সিগঞ্জ শহরে পূর্ববিরোধের জেরে আলমগীর মণ্ডল (৩৫) নামের এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর ও দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের রনছ পারুলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীর মণ্ডলকে প্রথমে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি শহরের পশ্চিম দেওভোগ এলাকার আশক আলী মণ্ডলের ছেলে।
আহত আলমগীরের ভাই লালন মণ্ডল অভিযোগ করেন, এর আগেও শহরের বৈখর এলাকার বাবু মিজি (২৮) তাঁর ভাই আলমগীরকে কুপিয়েছিলেন এবং ওই ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে। সেই মামলার জেরে আজ সন্ধ্যায় রনছ পারুলপাড়া ব্রিজ এলাকায় আলমগীরকে একা পেয়ে পাশের একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।
আলমগীর মণ্ডল বলেন, বাবু মিজির নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি দল তাঁকে ধরে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। পরে মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে এবং একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। আলমগীরের দাবি, অভিযুক্ত বাবু মিজি একাধিক হত্যা, মাদক ও মারামারি মামলার আসামি। বাবু মিজি শহরের বৈখর এলাকার মৃত অফিজ উদ্দিনের ছেলে।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাগিব এহসান জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত যুবকের দুই পায়ের রগ কেটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া মাথায়ও গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’