কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুকের ৬ কোটি ৬৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। নগদ রয়েছে ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা। বিদেশি মুদ্রা রয়েছে ১১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৭ মার্কিন ডলার। আর ওয়াশিংটনে ৫৫ হাজার ডলার মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে।
এ ছাড়া ওসমান ফারুকের বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রী রানা ফারুকের নামে ৮ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পদ রয়েছে। তাঁদের দুজনেরই ব্যক্তিগত কোনো দেনা নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন এই প্রার্থী।
হলফনামায় ড. ওসমান ফারুক উল্লেখ করেন, আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। বর্তমানে তিনি দ্বৈত নাগরিক নন। তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। পেশায় উল্লেখ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি চাকরিজীবী।
সম্পদ বিবরণ অনুযায়ী, ওসমান ফারুকের এক একর অকৃষিজমি রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য ১০ লাখ টাকা। করিমগঞ্জ উপজেলার বৈরাটিয়াপাড়ায় একটি ভবন রয়েছে, যার অধিগ্রহণকালীন মূল্য ২০ লাখ টাকা। ওসমান ফারুকের নামে উত্তরায় তিনটি ও গুলশানে একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে; যেসবের অধিগ্রহণকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ কোটি টাকা।
বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেল দেখানো হয়েছে ২৮ লাখ টাকার। ইলেকট্রনিক পণ্য ৭ লাখ ও আসবাবপত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ লাখ। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথরে তৈরি গয়নার মূল্য দেখানো হয়েছে ১০ লাখ টাকা।
আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, ওসমান ফারুকের সম্পদের পরিমাণ ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা। আয়ের পরিমাণ ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তাঁর প্রদত্ত আয়করের পরিমাণ শূন্য।
ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে কিশোরগঞ্জ-৪, যা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল), আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। ৩ ও ৪ জানুয়ারি এই আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।