হোম > সারা দেশ > জয়পুরহাট

অগ্রণী ব্যাংকের এজিএমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সাবেক কর্মচারীর

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

অগ্রণী ব্যাংক জয়পুরহাট আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ওই ব্যাংকের সাবেক অস্থায়ী চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মেহেদী হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে মেহেদী হাসান বলেন, তিনি ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অগ্রণী ব্যাংক জয়পুরহাটের কালাই শাখায় অস্থায়ীভাবে গুদাম চৌকিদার হিসেবে যোগ দেন। করোনার সময় গুদামটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি বেকার। ২০২২ সালে চতুর্থ শ্রেণি পদে জেলার বিভিন্ন শাখায় নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি ব্যাংকে যান সহকারী মহাব্যবস্থাপক আব্দুল মজিদের কাছে। এ সময় তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আব্দুল মজিদ। তাঁকে পুনরায় সিকিউরিটি গার্ড পদে আবেদন করতে বলেন। পরে অগ্রণী ব্যাংক থেকে অবসরে যাওয়া বাবাকে সঙ্গে নিয়ে আবারও তাঁর কাছে যান তিনি। তখন তিনি অগ্রণী ব্যাংকের জয়পুরহাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. কামরুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন এবং অবৈধ লেনদেনের ইঙ্গিত দেন। কিন্তু এতে তিনি সারা দেননি। এরপর থেকে থেকে তিনি আমাকে ব্যাংকে প্রবেশ করতে নিষেধ করেন। এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সাবেক কর্মচারীদের চাকরি না দিয়ে তিনি নতুন অনভিজ্ঞদের নিয়োগ দেন তিনি। 

অগ্রণী ব্যাংকের জয়পুরহাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. কামরুল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আপনারা ব্যাংকে এসে তদন্ত করুন। তাহলেই সঠিক বিষয় জানতে পারবেন।’ 

এ নিয়ে জানতে চাইলে আব্দুল মজিদ বলেন, ‘মেহেদী হাসান প্রপার নিয়ম না মেনে, ব্যাংকে এসে হট্টগোল করেন। যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা নিয়মনীতি মেনে অবেদন করেছেন বলেই সফল হয়েছেন।’

জয়পুরহাটের হাস্কিং মিল: সরকারি চুক্তিতে অচল মিল সচল

নৈশপ্রহরীকে বেঁধে স্বর্ণের দোকানে লুট

পাঁচবিবি সীমান্তে ফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফের, উত্তেজনা

জয়পুরহাটের ২টি আসন: জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

সমাজসেবা কার্যালয়ে কর্মচারীর ঝুলন্ত লাশ

শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি

দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

চাপ ছাড়াই টিউবওয়েল দিয়ে পানি পড়া নিয়ে হুলুস্থুল, অতঃপর যা জানা গেল

নবান্নে জমে উঠেছে কালাইয়ের মাছের মেলা

বাড়িতে ভাত খাইতে গেলেও নাকি রবিউলের অনুমতি নিতে হবে—ডাকাতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী