ফেনীর দাগনভূঞায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর তাঁর মাকেও ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় দুজনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ জুলাই) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে পলাতক প্রধান আসামি সাইফুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সাজা দেওয়া হয়েছে আদালতে উপস্থিত আসামি নিপু কুমার দাসকেও। এ ছাড়া অপর আসামি মো. আজাদকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনই দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহীগুনী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম জয়নাল আবেদীনের ছেলে, আজাদ মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে ও নিপু কুমার দাস প্রভাত কুমার দাসের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আজাদ ও নিপু কুমার দাস আদালতে উপস্থিত থাকলেও সাইফুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
এ ব্যাপারে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত সাইফুল ইসলাম ও নিপু কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।