ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির মাংস মসজিদে রাখা হবে নাকি গ্রাম্য মাতবরের বাড়িতে নেওয়া হবে—এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আলগা ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের জামাত শেষে কোরবানির পরে মাংস একত্র করে ভাগাভাগির জন্য রাখা হয়। পরে তা মসজিদে রাখা হবে নাকি মাতবরের বাড়িতে নেওয়া হবে—এ বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন কামরুজ্জামান সম্রাট। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “মাংস রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুই পক্ষকে ডেকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”