গাড়িতে ব্যাগ রেখে পাওনা টাকা ওঠাতে বের হয়েছিলেন ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান। ব্যাগে ছিল ২৩ লাখ টাকা। ফিরে এসে দেখেন গাড়ির দরজা খোলা, নেই টাকার ব্যাগ, নেই চালকও। পাশে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় গাড়ির চালকই টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়েছেন। পরে থানায় অভিযোগ করলে পাঁচ দিন পর সেই চালককে খুঁজে বের করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ২০ লাখ টাকা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই চালককে সাভারের আশুলিয়া থানা থেকে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আশুলিয়ার বাইপাইলের পাইকারি আড়ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ২০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার চালক হলেন গোপালগঞ্জ সদরের বাসিন্দা মো. সোহেল (৩৩)। তিনি ছয় মাস ধরে ২০ হাজার টাকা বেতনে ব্যবসায়ী লুৎফর রহমানের গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করছিলেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান সাভারের নামাবাজার এলাকার মেসার্স তুফান আলী ট্রেডার্সের মালিক। তিনি তেল, চিনি, আটা, ময়দার পাইকারি ব্যবসায়ী।
লুৎফর রহমান বলেন, ‘ড্রাইভারকে সঙ্গে নিয়ে পাওনা টাকা কালেকশনে বের হয়েছিলাম। কালেকশনের টাকার ব্যাগ গাড়িতে রেখে বাইপাইলে মা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি দোকানে যাই। ফিরে এসে দেখি টাকার ব্যাগও নেই, ড্রাইভারও নেই। গাড়ি রেখে পালিয়েছে ড্রাইভার। পরে সেই দোকানের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখি, ড্রাইভার টাকার ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছে। পরে থানায় অভিযোগ করি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জোহাব আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এক ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে পালিয়েছিল তাঁর গাড়িচালক। খবর পেয়ে আমরা অভিযানে নামি। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি থানার তিলছড়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। তাঁর কাছ থেকে চুরির ১৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।’