টানা ২০ দিন ধরে ফরিদপুরে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে পাঁচটি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫টি স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ও ৪৪টি স্কুলের মাঠ তলিয়ে গেছে। এতে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তার দেখা দিয়েছে।
আজ বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই স্কুলগুলোর মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পানিতে ডুবে আছে। দীর্ঘদিন পানিতে ডুবে থাকায় সেখানে শেওলা জমে গেছে। ফলে পানি না নামা পর্যন্ত কোনোভাবেই স্কুলে প্রবেশ করা সম্ভব হবে না।
এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জেলার সদর, ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন ও মধুখালী উপজেলায় ৪৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া আরও পাঁচটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পানিতে ডুবে রয়েছে।
উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান বলেন, আমার ইউনিয়নের পদ্মারচর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ফেরদৌসী মোহন মিয়া জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পানি জমে রয়েছে। এ অবস্থায় সেখানে ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে না।
উপজেলার চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান বলেন, পানি নেমে না যাওয়া পর্যন্ত ওই স্কুলগুলো চালু করা সম্ভব হবে না। পানি নামা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, আমরা পানিবন্দী স্কুলগুলোর নিয়মিত খোঁজ রাখছি। যেহেতু বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে সেহেতু অল্প কিছুদিনের মধ্যে স্কুলগুলো ক্লাসের উপযোগী হবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, এরই মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্কুলগুলো ব্যবহার উপযোগী করা হবে।