হোম > সারা দেশ > শরীয়তপুর

শরীয়তপুরের প্রধান শিক্ষক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

প্রতিনিধি, শরীয়তপুর

শরীয়তপুরের চন্দ্রপুরে আলোচিত আব্দুস ছামাদ আজাদ মাস্টার হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মনির কামাল এ রায় দেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন চাঁন মিয়া খান, নুরুজ্জামান খান, জাহাঙ্গীর মাদবর ও জুলহাস মাদবর। এই মামলায় আব্দুল হালিম মোল্লা, ফারুক খান, আজিজুর মাদবর, জলিল মাদবর, আজাহার মাদবর, লাল মিয়া মীর, মিজান মীর, এমদাদ মাদবর ও আকতার গাজীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর পাঁচ আসামি আজিবর বালি, খোকন ব্যাপারী, সোহরাব মোল্লা, আজাহার মোল্লা, আব্দুল খন্দকারকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীরমোড় বাসস্ট্যান্ডে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় আব্দুস সামাদ আজাদকে। ১৭ জানুয়ারি নিহত ছামাদ মাস্টারের স্ত্রী ফেরদৌসী আজাদ ওই সময়ের চন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্লাকে ১ নম্বর আসামি করে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে পালং থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর দীর্ঘ আট বছর মামলার তেমন কোনো অগ্ৰগতি না থাকায় ২০১৮ সালে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার জন্য আবেদন জানান মামলার বাদী। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এ স্থানান্তর করেন। ২০২১ সালের মার্চ মাসে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। গত ৮ সেপ্টেম্বর এই মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়। এর আগে তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১১ মে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শহীদুল ইসলাম ও সুলতান মাহমুদ। 
নিহত ছামাদ মাস্টার চিকন্দি শরফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০১০ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন। এর আগে ২০০৩ সালে চন্দ্রপুর ইউপি নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী ছিলেন। পরে ২০১০ সালের নির্বাচনের আগে স্থানীয়দের কাছে জনপ্রিয় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ছামাদ মাস্টার। 

নিহত ছামাদ মাস্টারের স্ত্রী ফেরদৌসী আজাদ আদালতের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, `আমার স্বামী একজন জনপ্রিয় মানুষ ছিলেন। নির্বাচনের আগে তখনকার চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্লা তাঁর লোকজন নিয়ে আমার স্বামীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন। মামলার রায়ের জন্য দীর্ঘ ১১ বছর অপেক্ষায় থেকেছি। তবে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আজিবর বালি খালাস পাওয়ায় আমরা বিস্মিত। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে দণ্ডিতদের রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।' 

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. মাহাবুবুর রহমান জানান, আদালতে ১৪ জন সাক্ষী ও চারজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর অপরাধ সাংঘাতিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা কারাগারে

জুলাই অভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর রায় যেকোনো দিন

সেই ৪০০ কোটির পিয়ন জাহাঙ্গীরের ফ্ল্যাট-জমি ক্রোক, স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

সাভারে ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন করলেন রিজওয়ানা হাসান

সর্বোচ্চ ভাড়া বাড়ির দামের ১৫ শতাংশ, দুই বছরের আগে বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নির্দেশনা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা ফের গ্রেপ্তার, ৩৯১ পরোয়ানার তথ্য পুলিশের হাতে

‘ভবঘুরেকে যৌনাচারে লিপ্ত দেখলেই সানডে মানডে ক্লোজ করে দিতাম’, পুলিশকে ‘সাইকো’ সম্রাট

ঢাকা-৫ আসন: নতুন ভোটাররা উৎফুল্ল, আকাঙ্ক্ষা নতুন কিছুর

ভবঘুরের ছদ্মবেশে ৬ খুন: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, কারাগারে সম্রাট