পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদ উদ্যাপনের পর রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন গ্রামে যাওয়া মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই রাজধানীর অন্যতম প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ী-সায়েদাবাদ এলাকা ঘুরে নগরবাসীর এ ফেরার চিত্র দেখা গেছে।
অন্যদিকে আজও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই। ঢাকা ছাড়ার জন্য নগরবাসীর ভিড়ও দেখা গেছে যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায়। গত সোমবার (৩১ মার্চ) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়েছে।
বাস মালিক ও শ্রমিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ সকাল থেকেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন ঈদ করতে গ্রামে যাওয়া নগরবাসী। আগামী কয়েক দিন আসা-যাওয়ার এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
ঈদে ছুটি কাটিয়ে সপরিবার নিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে এলেন রুবেল হোসেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঈদের ছুটি এখনো শেষ হয়নি। তার পরও ঢাকায় ফিরতে হলো ব্যক্তিগত কাজের জন্য। এ ছাড়া বাচ্চাদের স্কুল শুরু হবে আগামী সপ্তাহে। তাই যানজটমুক্তভাবে আগেই চলে এলাম ঢাকায়।’
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে মোংলা থেকে আগত বিএম পরিবহন থেকে লাগেজ হাতে নামছিলেন মোবারক ইসলাম নামের এক যাত্রী। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভালো সময় কাটিয়েছি। পেশাদারিত্বের জন্য সবাইকে ছেড়ে ঢাকায় আসায় মন খারাপ লাগছে।’
ঢাকা-সিলেটগামী মিতালী পরিবহনের চালক মো. বাবুল ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটি শেষে ধাপে ধাপে যাত্রীরা ঢাকায় প্রবেশ করতে শুরু করেছেন। আগামী শনিবার ও রোববার থেকে যাত্রী আসার চাপ বাড়বে।
অন্যদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও যাত্রাবাড়ী থেকে ঢাকা-মাওয়া সড়কে তেমন কোনো যানজট দেখা যায়নি। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে দূরপাল্লার তেমন বাস এখানে নেই বললেই চলে।
সায়েদাবাদ আন্তজেলা বাস টার্মিনাল পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা রাসেল সর্দার বলেন, ঈদযাত্রার শুরু থেকে নগরবাসীর ঢাকায় ফেরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে এবং যাত্রীদের হয়রানি-ভোগান্তি রোধে টার্মিনালে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা।