আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে মানুষ না আসার কালচার কবে থেকে চালু হয়েছে, তা আমার মনে করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। এই কালচার থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যা যা করা দরকার, এই সরকার চেষ্টা করছে। কোনো দল নির্বাচনে এসে প্রতিদ্বন্দীতা না করলে তাঁকে ভোট দিতে হবে, এটা তো জনগণকে বলে দিতে পারব না। নির্বাচনে কেউ না এলে তাঁকে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষ বসে থাকবে না। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে কানেক্টিভিটি নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণ ভোটের বিষয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ওভারসিস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওকাব) আয়োজিত ‘ওকাব টক’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, হ্যাঁ-না ভোট থেকে শুরু করে অনেক ধরনের ভোটই আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আমার নিজের তোলা ছবি আছে-মানুষ ভোট দিতে গেছেন। জনগণের কাছে বার্তা ছিল-ভোটকেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করুন। আমার বিরুদ্ধে হলেও ভোট দেন।
আনিসুল হক বলেন, ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন না হলেও সেদিন আনন্দ করে তা পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর খুনি লে. কর্নেল আবদুর রশিদকে ১৯৯৬ সালে ভোটার বিহীন নির্বাচনে বিরোধী দলীয় নেতা বানিয়ে ছিলেন খালেদা জিয়া। তাঁর ছোট ছেলে মারা গেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমবেদনা জানাতে বাসায় গেলে তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) মুখের সামনে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এতকিছুর পরও তাঁকে শর্তযুক্ত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তারপরও কেন মানবিকতার প্রশ্ন ওঠে?
অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।