হোম > সারা দেশ > ঢাকা

‘ব্যবসা করার সুযোগ দিন, আমাদের দায়ভার আমরাই নেব’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তিসহ সাত দফা দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন ইভ্যালির ভোক্তা ও পণ্য সরবরাহকারীরা। আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দুপুর ১২টার পর প্রতীকী অনশন শুরু করেন তাঁরা। 

অনশনে অংশ নেওয়া আনোয়ার হোসেন নামের এক পণ্য সরবরাহকারী বলেন, `বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন, আমাদের টাকার দায় সরকার নেবে না। তাঁর উদ্দেশে আমরা বলছি, ইভ্যালিকে ব্যবসা করার সুযোগ দিন। আমাদের টাকার দায়ভার আমরাই নেব। অন্য কাউকে এর দায় নিতে হবে না।'

ইভ্যালির ভোক্তা ও পণ্য সরবরাহকারীদের সহসমন্বয়ক সাকিব হাসান বলেন, `প্রায় ৭৪ লাখ গ্রাহক প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি বিক্রেতা ও ৫ হাজার স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী ইভ্যালির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত। ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও সিইও মোহাম্মদ রাসেলকে কারাগারে রাখাটা দুঃখজনক। ব্যবসার পরিধি বড় হলে কিছু অভিযোগ বা সমন্বয়হীনতার অভাব থাকতে পারে। আমরা মনে করি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, ইক্যাব, মার্চেন্ট, ভোক্তাসহ সবার প্রতিনিধি ও ইভ্যালির কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।’ 

ইভ্যালির ভোক্তা ও সরবরাহকারীদের সাত দফা দাবি হলো—

 ১. ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি দিতে হবে। 

 ২. রাসেলকে নজরদারির মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ দিতে হবে। 

 ৩. এসক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার আগে অর্ডার করা পণ্য ডেলিভারি দিতে রাসেল সময় চেয়েছেন, আমরা তাঁকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে চাই। 

 ৪. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইক্যাব, পেমেন্ট গেটওয়ে, মার্চেন্ট ও ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। 

 ৫. করোনাকালে বিভিন্ন খাতের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে প্রণোদনা দিতে হবে। 

 ৬. ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাধ্যতামূলক লাইসেন্স নিতে হবে ব্যাংক গ্যারান্টিসহ। 

 ৭. ই-কমার্স বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত, যেখানে হাজার হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে এবং লাখ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই খাতকে সরকারি সুরক্ষা দিতে হবে। 

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় একটি মামলা হয়। এর পরপরই মোলাম্মদপুরের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। বর্তমানে তাঁরা দুজন কারাগারে রয়েছেন। 

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বিরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা হত্যা: শনাক্ত হয়নি কেউ, স্ত্রীর মামলা

কেরানীগঞ্জে নারী কারারক্ষীর স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই

এনসিপির আধিপত্যবাদবিরোধী মার্চে পুলিশের বাধা

ডেমরায় ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে অছিম পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ

ভাষানটেকে দেশীয় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার সঙ্গে গুলিবিদ্ধ মাসুদ ঢামেকে

ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা

রাজধানীর খিলক্ষেতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিখোঁজ এনসিপি সদস্য ওয়াসিমের সন্ধান মিলল মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে