মকবুল নামের এক বিএনপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলায় সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আলী হায়দার তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সকালে দুই দিনের রিমান্ড শেষে ফারুক খানকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই নাজমুল হাচান তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ১৪ অক্টোবর দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির এক দফা দাবিতে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘিরে সারা দেশের নেতা-কর্মীরা যখন জড়ো হতে থাকেন, তখন সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও তাদের পুলিশ বাহিনী বিএনপির সমাবেশ বানচালের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর এজাহারভুক্ত ২৫৬ জন ও অজ্ঞাতনামা প্রায় ৪০০ জন আসামি বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। আসামিরা বিএনপি অফিসে প্রবেশ করে ভাঙচুর করেন।
এ সময় বিএনপির কার্যালয়ে থাকা নেতা-কর্মীদের লাঠিপেটা ও গুলি করেন। এ সময় মকবুল নামে বিএনপির এক কর্মী আহত হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্য আব্বাস আলী মামলা দায়ের করেন।