হোম > সারা দেশ > ঢাকা

অবৈধ পথে গ্রিস যাত্রায় ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু: পাচারকারী চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

গ্রেপ্তার হওয়া মোহাম্মদ মিকাইল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ভূমধ্যসাগরে অবৈধ পথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোহাম্মদ মিকাইল ইসলাম (৫২) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটির দাবি, তিনি পাচারকারী চক্রের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকারও করেছেন।

আজ বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি জানায়, গত সোমবার বিকেলে সিলেট বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মোহাম্মদ মিকাইল ইসলাম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার মিঠাপুর গ্রামের বাসিন্দা।

সিআইডি জানায়, উন্নত জীবনের আশায় দালালদের প্রলোভনে পড়ে অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে চলতি বছরের মার্চে ভূমধ্যসাগরে অনাহার ও তৃষ্ণায় ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মিকাইল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মানব পাচারে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিহত এক ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তার মিকাইল ইসলামের বাড়ি একই গ্রামে। গ্রিসে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে পাচারকারী চক্রটি তাঁর পরিবারের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা দাবি করে। এর একটি অংশ লিবিয়ায় পাঠানোর আগেই পরিশোধ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকায় কিছুদিন অবস্থানের পর ওই ব্যক্তিকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁর পরিবার বিভিন্ন পর্যায়ে পাচারকারী চক্রকে টাকা দেয়। এর মধ্যে একটি ব্যাংক হিসাবে ৪ লাখ টাকা এবং গ্রেপ্তার মিকাইল ইসলামের কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

পরে গত ২১ মার্চ ১৮ বাংলাদেশিসহ ৪৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে অবৈধ সমুদ্রপথে গ্রিসের উদ্দেশে পাঠানো হয়। যাত্রাপথে নৌযানটি কয়েক দিন ভূমধ্যসাগরে আটকা পড়লে খাদ্য ও পানির সংকটে অনাহার ও পানিশূন্যতায় একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

উদ্ধার হওয়া জীবিতদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাচারকারীদের নির্দেশে মৃত ব্যক্তিদের মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের মাধ্যমে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, মৃতদের মধ্যে ওই ব্যক্তিও ছিলেন।

সিআইডি জানায়, সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশ গমনে-ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে আসছিল। চক্রটি লিবিয়া হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে ইউরোপে পাঠানোর নামে মানব পাচার কার্যক্রম পরিচালনা করত।

সংস্থাটি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে বৈধ ও সরকার অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে সিআইডি।

পৃথক ঘটনায় লিবিয়াভিত্তিক মানব পাচার চক্রের সদস্য ও মানি লন্ডারিং মামলার আসামি রাব্বানী ফরাজীকে (৩৫) খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।

সিআইডি জানায়, রাব্বানী ফরাজী ও তাঁর সহযোগীরা ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের লিবিয়ায় নিয়ে জিম্মি করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করতেন। মানব পাচার ও মুক্তিপণের অর্থের মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি।

এ ঘটনায় তাঁর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে এবং অবৈধ সম্পদ জব্দের কার্যক্রম চলছে।

কেরানীগঞ্জে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার ২

আদাবরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ছিনতাই, শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবুসহ গ্রেপ্তার ৬

ডিএমপির থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ কমিশনারের

রাজধানীতে খাল থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন গ্রেপ্তার

শিক্ষা খাতে রেকর্ডসংখ্যক বরাদ্দ হলেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পিছিয়ে

দুর্নীতির মামলায় প্রশ্নফাঁস: সেই আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের বিচার শুরু

সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা পূজা উদ্‌যাপন ফ্রন্টের, ৭ দফা দাবি

ডেমরায় অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য কারাগারে