মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান। তিনি বলেছেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি বাড়াতে হবে। দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের এ নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় ডাকাতির মামলা রেকর্ড ও দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দেন অতিরিক্ত আইজি। ধর্ষণ মামলার তদন্ত নিবিড়ভাবে তদারকির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতে বিচারে সাজার হার বাড়বে। পাশাপাশি অন্যান্য মামলার নিষ্পত্তির হার বাড়ানোরও নির্দেশ দেন তিনি।
সায়েদুর রহমান বলেন, সমাজে ইতিবাচক ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উদ্যাপিত হওয়ায় মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের আইজিপির পক্ষে ধন্যবাদ জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের গত সেপ্টেম্বর মাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসহ সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, ধর্ষণ, পুলিশ আক্রান্ত ও অপহরণের মামলা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলা হয়। পাশাপাশি মুলতবি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার তদন্ত ও বিচার, বিচারে সাজার হারসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারেরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। পুলিশ সদর দপ্তরে ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।