এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ৬ চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২ নগর ভবনে ‘এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলায় বছরব্যাপী উত্তর সিটির প্রস্তুতি এবং করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন।
ডিএনসিসির তথ্য অনুসারে, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জসমূহ হচ্ছে ১. অপরিকল্পিত নগরায়ণ ২. জনসচেতনতা ও জনসম্পৃক্ততার ঘাটতি ৩. নির্মাণাধীন ভবনে কর্মরত শ্রমিক এবং কর্মচারীদের জ্ঞানের অভাব এবং অসহযোগিতা ৪. পরিত্যক্ত এবং অপরিকল্পিত ছাদবাগান ৫. বেসমেন্ট পার্কিং এ জমাকৃত পানি এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সংখ্যার তথ্যে অপ্রতুলতা।
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই শহর আমাদের সকলের। সবাই মিলেই এই শহরের জন্য কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু মোকাবিলা করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। মশা যখন কামড়াবে তখন কে মেয়র, কে কাউন্সিলর, কারা বিশেষজ্ঞ এসব কিছুই দেখবে না। মশা কিন্তু যখন কামড়াবে তখন সবাইকেই কামড়াবে। মশার উপদ্রব এই শহরের একটি সমস্যা। তাই আজ আমরা সবাইকে ডেকেছি। মশকনিধনে আমরা কী করছি, এগুলো ঠিক আছে কি না, আর কী কী করা যায় সেই সম্পর্কে আপনাদের জানাব। আমাদের প্রস্তুতিগুলো জানাব। সেই সঙ্গে আপনাদের কাছ থেকে পরামর্শগুলো শুনব। আর কী কী করা যায়, তার গাইডলাইন আপনারাও আমাদের জানাবেন। সব মিলিয়ে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেব।’
ডেঙ্গু মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে প্রস্তুতি এবং পরামর্শ নিতে আলোচনায় ডাকা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ, নিপসম পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবির প্রমুখ।