নিহত বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। তবে তার নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশের করা সুরতহাল প্রতিবেদনে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান নিহত সৌরির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উদ্ধার মরদেহ শনাক্ত করেন নিহতের খালাতো ভাই জহির হাসান। মরদেহের মাথার চুল কালো, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। কপাল স্বাভাবিক, মুখমণ্ডল গোলাকার। মুখ ও চোখ বন্ধ। নাক থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে। ছোট ছোট কালো দাঁড়ি ও গোঁফ। হাত দুটো মাথার সামনা-সামনি বাঁকা ছিল। হাতের মুষ্ঠি খোলা পেয়েছেন সুরতহাল প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা।
এ ছাড়া সুরতহাল প্রতিবেদনে এসআই মুস্তাফিজুর রহমান উল্লেখ করেন, তাহসিফ সৌরির বুক, পেট ও পিঠ স্বাভাবিক ছিল। পা দুটো স্বাভাবিক ছিল। মৃতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত ব্যক্তির পেট ফোলা দেখা গেছে। সাক্ষীদের উপস্থিতিতে এবং দেখানোর মতে তিনি সৌরির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে তৈরি করেন।
এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে তাঁর মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।