অনেকের সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকার পরও শ্রমিক শ্রেণির অধিকার আদায়ে আজীবন লড়াই করেছেন আলমগীর মজুমদার। আলমগীর মজুমদার মনে করতেন, শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দলমত ভুলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই তিনি কাজ করতেন। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত শ্রমিক নেতা আলমগীর মজুমদার স্মরণে ‘নাগরিক শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে’ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার এসব কথা বলেন।
শিরিন আক্তার বলেন, ‘অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণে শেষ জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। শ্রমজীবী মানুষের মুক্তির সংগ্রাম যত দিন চলবে তত দিন আলমগীর মজুমদার বেঁচে থাকবেন।’
বাংলাদেশ ন্যাপ-এর মহাসচিব এম গোলাম মোল্লা ভুইয়া বলেন, ‘বাংলাদেশে যুগের পর যুগ ধরে শ্রমিকেরা তাঁদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত শোষিত হচ্ছেন মালিকদের দ্বারা। শ্রমিকের ওপর চলা শত শত শোষণ-বঞ্চনা দেখার পরও রাষ্ট্র নিশ্চুপ রয়ে যায়। শ্রমিক নেতারা বিক্রি হয়ে যায়। সেখানে আলমগীর মজুমদারের মতো শ্রমিক নেতার সংখ্যা খুবই বিরল। যিনি সততার সঙ্গে শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে গেছেন।’
নাগরিক শোক সভা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে শোকসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত আইজি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর সভাপতি আবুল হোসেন, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।