রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ‘কোটিপতি কর্মচারীদের’ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে দুদক ও রাজউককে এই প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
একটি দৈনিকে প্রকাশিত এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
একই সঙ্গে এ ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
এর আগে মঙ্গলবার ‘রাজউক চেরাগে বাড়ি গাড়ি প্লট দোকান’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কেউ উচ্চমান সহকারী, কেউ নিম্নমান সহকারী, কেউবা বেঞ্চ সহকারী। তবে এক জায়গায় নিখুঁত মিল! সবাই কোটিপতি। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শ্রেণির ২০-৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের কর্মচারী হলেও অনেকের রাজধানীতে রয়েছে এক বা একাধিক বহুতল বাড়ি, আধুনিক গাড়ি। অনেকের আছে প্লট, ফ্ল্যাট, দোকানপাট।