জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার সহকারী একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। তবে তাঁকে দুই মাসের মধ্যে মামলার পেপারবুক তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে মনিরুল ইসলাম খান কারাগারে রয়েছেন।
২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরাও। বাকি তিন আসামি হলেন—খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ করা হয় মামলায়। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। বিচার শেষে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হয়।
সোমবার আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।