প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ধানমন্ডি থানায় করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেলের রিমান্ড এবং জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৫ নম্বর আদালতে মামলার শুনানি করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হক।
এর আগে ধানমন্ডি থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে রিমান্ড নামঞ্জুর করে জামিনের আবেদন করেন রাসেলের আইনজীবী এম মনিরুজ্জামান আসাদ। যুক্তিতর্ক শুনে রিমান্ড এবং জামিন উভয় আবেদনই বাতিল করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আবু বলেন, পত্রপত্রিকায় অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণামূলক ব্যবসায় পদ্ধতি নিয়ে কথা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে কারা যুক্ত আছে? কেন এমন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা পরিচালনা করা হল। কি উদ্দেশ্য? আরও কারা জড়িত আছে? এসব জানতে হবে।
রাসেলের আইনজীবী এম মনিরুজ্জামান আসাদ বলেন, করোনার জন্য পণ্য ডেলিভারি আটকে ছিল। মামলার আসামি কখনোই বলেননি পণ্য দেওয়া হবে না। পেমেন্ট করার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহককে পণ্য দিতে ইভ্যালি কমিটেড। সুতরাং ধারণার ওপর ভিত্তি করে কাউকে সাজা দেওয়া যায় না। এরই মধ্যে তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাই একই ধারার মামলায় পুনরায় রিমান্ডের কোনো দরকার নেই।
এ ছাড়া আদালতের বাইরে ইভ্যালি কাণ্ডে ভুক্তভোগীরা শান্তিপূর্ণ একটি মানববন্ধন করেছিল। কিন্তু পুলিশের অনুরোধে কর্মসূচি বাতিল করলেও কয়েকজন সেখানে অবস্থান করেন। আদালতের আদেশ শোনার পর তাঁরা উল্লাস প্রকাশ করেন।