সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। গত শুক্রবার রাজধানীর রমনা মডেল থানায় ওই মামলা করেছেন তাঁরই এক জুনিয়র আইনজীবী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার ওই নারী মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীর জুনিয়র হিসেবে কাজ করত। ২০১৮ সালে তাঁর বিয়ে হয়। তিন বছর বয়সী তাঁর একটি ছেলেও রয়েছে। তবে আইনজীবী মেহেদী তাঁকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। পরে তার পরামর্শেই গত বছররে ২৮ নভেম্বর স্বামীকে তালাক দেন ওই নারী। কিন্তু এরপরও বিয়ে না করে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ওই নারী তালাক প্রত্যাহার করে স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চাইলেও মেহেদী ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখে। তবে বার কাউন্সিলে অভিযোগ দেওয়ার ভয় দেখালে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ৫ লাখ টাকা দেন মোহরে বিয়ে করলেও কোনো স্বীকৃতি দেয়নি তাঁকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার ওই নারী মেহেদীর বাসায় গেলে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়। এরপর সমঝোতার কথা বলে গত বৃহস্পতিবার ডেকে নিয়ে আবারও ধর্ষণ এবং হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
জানতে চাইলে ধর্ষণের শিকার ওই নারী বলেন, মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী আরও অনেকের সঙ্গেই এমন সম্পর্ক করেছে। কেউ ভয়ে মুখ খোলেনা। এই মামলার পর মেহেদী উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানান ওই নারী।
এদিকে মামলার বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।