হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ধলেশ্বরী নদী থেকে নিখোঁজ ২ তরুণের মরদেহ উদ্ধার

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠপট্টি লঞ্চঘাট ও নয়াগাঁও এলাকার ধলেশ্বরী নদী থেকে দুই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। আজ বুধবার সকালে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। 

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন ভোলার চরটিটিয়া এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াম হোসেন (১৭) ও মুন্সিগঞ্জ সদরের গোসাইবাগ এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন (১৮)। রিয়াম পরিবারের সঙ্গে মিরকাদিম পৌরসভার মাস্তান বাজার এলাকায় ভাড়া থাকত।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে কাঠপট্টি ঘাট এলাকায় একটি মরদেহ ভাসছিল। পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ এসে রিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে। অন্যদিকে ধলেশ্বরী নদীর নয়াগাঁও এলাকায় আরেকটি মরদেহ ভাসমান ছিল, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নয়াগাঁও এলাকা থেকে আলমগীর হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত রিয়ামের ভাই মো. হাসান অভিযোগ করে জানান, গত সোমবার দুপুর ২টার দিকে আলমগিরকে (১৮) বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান রুবেল (২৪), রনি (২৩), পারভেজ (২২), রিয়াম। তারপর বিকেলে রুবেল ও পারভেজ এসে জানান, আলমগীর ফোন ও নগদ ৭০০ টাকা নিয়ে পালিয়েছেন। এরপর খোঁজখবর করেও পাওয়া যাচ্ছিল না তাঁদের। সোমবার রাতে ৮-১০ জন এসে আলমগীরের খোঁজ করেন। কেন খোঁজ করা হচ্ছে জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘পরে জানতে পারবেন’। আজ সকালে তিনি তাঁর ভাইয়ের মরদেহ পেয়েছেন। গলায়, শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্বের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

নিহত আলমগীরের মামা মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ‘আমার একটাই ভাগনে। আমার বোনের আর কোনো ছেলেমেয়ে নেই। সোমবার ভাগনেকে ওর বন্ধুরা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। কমলাঘাট এলাকায় নেশা-পানি করেছে। এরপর আমার ভাগনেকে পানিতে ফেলে মেরে ফেলেছে। অপুর্বর সঙ্গে আলমগীরের এর আগে ঝগড়া হয়েছিল। তখন ভাগনেকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। রনি ও রুবেলকে ধরে পুলিশে দিয়েছি। তারা পুলিশের কাছে অস্বীকার করেছে। আমরা আমার ভাগনে হত্যার বিচার চাই।’ 

পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। মানুষের মুখে শুনেছি, তারা নেশাজাতীয় দ্রব্য খেয়ে পাঁচজন একসঙ্গে পানিতে নেমেছিল। এর মধ্যে তিনজন পারে উঠতে পারলেও নিহত দুজন নিখোঁজ ছিল। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ 

এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুবকর সিদ্দিক জানান, ঘটনাটি জানতে পেরে মঙ্গলবার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ দুজন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। প্রকৃত ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা

টেলিগ্রামে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ১

মুছাব্বির হত্যায় গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজন আপন ভাই, আরেক ভাই পলাতক: ডিবি

সমিতির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ, হোতা গ্রেপ্তার

বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান

রেডিওথেরাপির সক্ষমতা বাড়ানো দরকার

রাসিকের সাবেক মেয়র লিটন ও পরিবারের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ