দুদকের কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনকে অপসারণ এবং অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের স্বাধীন অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
১০ আইনজীবীর এসংক্রান্ত রিটের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে অপসারণের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে গত রোববার হাইকোর্টে রিট করেছেন শরীফ উদ্দিন নিজেই। তাই এই রিট খারিজ করা হয়। শরীফ তাঁর আবেদনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চাকরি বিধিমালা ২০০৮-এর ৫৪ (২) ধারা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এ ছাড়া চাকরি ফিরে পাওয়ারও আর্জি জানানো হয়েছে আবেদনে।
শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করে দুদক কার্যালয়। এরপর তাঁর বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন ১০ আইনজীবী। রিটকারী আইনজীবীরা হলেন—মোহাম্মদ শিশির মনির, রেজওয়ানা ফেরদৌস, জামিলুর রহমান খান, উত্তম কুমার বণিক, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. তারেকুল ইসলাম, আহমেদ আবদুল্লাহ খান, সৈয়দ মোহাম্মদ রায়হান, মো. সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নোয়াব আলী।
এর আগে শরীফ উদ্দিনের জীবনের নিরাপত্তা ও ঘটনার তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে চিঠি পাঠান ওই ১০ আইনজীবী। সেই সঙ্গে চিঠি দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকেও। পরে ওই চিঠির বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন আইনজীবী শিশির মনির। তখন আদালত তাঁকে বলেন, ‘আমাদের মাধ্যমে সুয়োমোটো না করে আপনি আবেদন নিয়ে আসতে পারেন, যদি আপনি প্রকৃত অর্থে দুদকের ওই কার্যক্রম নিয়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকেন। কীভাবে সংক্ষুব্ধ হলেন ব্যাখ্যা নিয়ে আসুন।’ পরে সে অনুযায়ী রিট করা হয়।