প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর মাঠগুলো সংস্কার করে প্রতিটি এলাকায় একটি করে মাঠ শিশু-কিশোরদের খেলার উপযোগী করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘রাজধানীর সব এলাকায় কীভাবে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ প্রস্তুত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কর্মসূচি তৈরি করছি এবং সেভাবেই কাজ এগিয়ে নিচ্ছি।’
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের কালশী এলাকায় স্থানীয় একটি খেলার মাঠ পরিদর্শন শেষে এসব কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের দল ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পরিদর্শন দলে রয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান ও ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম।
কালশী এলাকায় পরিদর্শন শেষে মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠ, মধুবাগ মাঠ, বাসাবো খেলার মাঠ, গোলাপবাগ ও ধূপখোলা মাঠ পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে মাঠগুলোর বর্তমান অবস্থা, সমস্যা এবং সম্ভাবনা যাচাই করে বাস্তবভিত্তিক সমাধান নির্ধারণ করা হবে। এরপর আন্তমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আমিনুল হক বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করে যেসব জায়গাকে খেলার মাঠ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব, সেগুলো চিহ্নিত করা। গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকারের আওতাধীন যে বড় বড় খালি জায়গা রয়েছে, সেগুলো আমরা পরিদর্শন করে কীভাবে খেলাধুলার উপযোগী মাঠে রূপান্তর করা যায়, সে বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’
কালশী মোড়ে ১৬ বিঘার অব্যবহৃত জমির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এই ১৬ বিঘা জমিতে একটি আধুনিক খেলার মাঠ ও ক্রীড়া কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হবে, ইনশা আল্লাহ। পাশাপাশি আমরা অন্যান্য যেসব জায়গা পরিদর্শন করছি, সেগুলোর বিষয়েও একইভাবে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।’
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক ও পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।