আজ রোববার বেলা দেড়টা। সচিবালয় স্টেশনারি দোকানের সামনে শতাধিক লোকের ভিড়। তখনো পণ্য বিক্রির দোকানটির শাটার বন্ধ। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর ২টায় শুরু হয় পণ্য দেওয়া। কড়া রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা।
দেশে ভোগ্যপণ্যের দাম অসহনীয় হয়ে উঠেছে। ডাল তেল চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ হতাশা দানা বাঁধছে। অস্থিরতা প্রশমনে সরকার সচিবালয়ে কর্মরত কর্মচারীদের মধ্যে খোলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রত্যেক সদস্যকে একটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। ওই কার্ডের মাধ্যমে তাঁরা পণ্য কিনতে পারছে। সচিবালয়ে আজ থেকেই শুরু হয়েছে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি।
প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ে কর্মরত কর্মচারীদের সাশ্রয়ী দামে পণ্য দেওয়ার জন্য ‘বাংলাদেশ সচিবালয় বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিডেট’ এমন উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সয়াবিন তেল, ডাল, চিনি ও পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সচিবালয়ে প্রবেশের পরিচয়পত্রধারীদের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত) মধ্যে সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিদিন বেলা ২টার দিকে পণ্য বিক্রি শুরু হবে।
টিসিবির মুখপাত্র মো. হুমায়ূন কবির বলেন, ‘গত কয়েক বছর আগে টিসিবি সচিবালয় বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডকে টিসিবির ডিলারশিপ দেয়। সে অনুযায়ী সাশ্রয়ী দামে পণ্য সরবরাহ দেওয়া হয়ে আসছে। একজন কর্মচারী মাসে এক থেকে সর্বোচ্চ তিনবার পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।’