সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি কে-এমন প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক ৪ সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। সভাপতিসহ কয়েকটি বিষয়ে জানতে তারা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটিকে একটি চিঠিও দিয়েছেন। চিঠি দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচন উপ কমিটির আহ্বায়ককেও।
সাবেক চার সভাপতি হলেন-ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। এর বাইরেও সুপ্রিম কোর্টের ১৭ জন আইনজীবী ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘মূলত সাবেক চার সভাপতিই চিঠি দিয়েছেন। আমরা সেখানে স্বাক্ষর করেছি মাত্র।’
ওই চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়, ২০২২-২৩ সালের নির্বাচনের জন্য বর্তমান ভোটার তালিকায় কেন অযোগ্য সদস্যদের নাম রয়েছে এবং আগামী নির্বাচনে সদস্যদের ভোট ইলেকট্রনিক্যালি গণনার ক্ষমতা কীভাবে এল।
চিঠিতে বলা হয়, গত বছরের ১৪ এপ্রিল সিনিয়র আইনজীবী আবদুল মতিন খসরুর দুর্ভাগ্যজনক ও অকাল মৃত্যুর পর সমিতির সাবেক সভাপতিসহ সকল সাধারণ সদস্যদের নজরে এসেছে বিষয়টি। গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সমিতির নির্বাচিত সভাপতির পদ শূন্য রয়েছে। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন করা উচিত বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে যোগাযোগ করা হলে বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল চিঠি গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করলেও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সুপ্রিম কোর্ট বারের সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বারের সাবেক সহ সম্পাদক সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘বারের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমিতির সদস্যরা উচ্চ আদালতে পেশা পরিচালনা করবেন এবং ঢাকা মহানগর এলাকায় তাঁদের একটি কার্যালয় থাকবে। তবে বর্তমান ভোটার তালিকায় এমন আইনজীবীদের নাম আছে, যাঁরা সাধারণত অধস্তন আদালতে পেশা পরিচালনা করেন, যা ঢাকা মহানগর এলাকার বাইরে।’