হোম > সারা দেশ > ঢাকা

ঢাকা-১০: ফেরদৌসের আসনে ভোটার উপস্থিতি কম 

নিজস্ব প্রতিবেদক ও বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে নৌকার প্রার্থী চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন আরও চারজন। তবে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই নায়কের আসনে আজ রোববার সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি খুব একটা দেখা যায়নি। ঢাকা-১০-এর কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় ভোটার উপস্থিতি খুবই কম। সকাল ৮টায় ভোট শুরু হলেও সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে খুব বেশি ভিড় দেখা যায়নি। 

এই আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র রায়েরবাজার হাইস্কুল, জিগাতলা স্টাফ কোয়ার্টার, নিউমার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও রাজমুশুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কেন্দ্রগুলোর কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, আড়াই ঘণ্টায় রায়েরবাজার স্কুল কেন্দ্রে ভোট পড়ছে ৫৮টি, রাজমুশুরী স্কুলে পড়েছে ৬১টি ও স্টাফ কোয়ার্টারের ৫০ থেকে ৫৫টি ভোট পড়েছে। উল্লেখ্য, রায়েরবাজার হাইস্কুল কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩ হাজার ৩২৮ জন ও রাজমুশুরী কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৬২ জন। 

রায়েরবাজার হাইস্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার জাহিদুর রহমান খান বলেন, ‘এখনো তেমন ভোটার নেই। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার বাড়বে বলে আমার মনে হচ্ছে।’ আরেক কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সত্যজিৎ রায় বলেন, ‘ভোটার কতজন এল সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমরা ৪টা পর্যন্ত থাকব, যে কয়টা ভোট পড়বে তা-ই নিয়ে যাব।’ 

কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘ভোটার নাই, আসবেও না। প্রতিপক্ষ না থাকলে ভোটার কেন কষ্ট করে আসবে? ডিউটি করে মজা পাচ্ছি। কোনো ঝামেলা নাই।’ 

রাজমুশুরী স্কুল কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক সাইফুর রহমান বলেন, ‘এখানে এখন পর্যন্ত কোনো ঝামেলা নেই। মাঝে মাঝে ভোটার আসছে, তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে যাচ্ছে।’ 

এই আসনে নৌকার প্রার্থী ফেরদৌস আহমেদ ছাড়াও আরও চারজন নির্বাচন করছেন। টেলিভিশন প্রতীকে এনএফের মো. বাহারানে সুলতান বাহার, ছড়ি প্রতীকে মুক্তিজোটের শাহরিয়ার ইফতেখার, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির হাজি মো. শাহজাহান ও আম প্রতীকে এনপিপির কে এম শামসুল আলম। ফেরদৌসের শক্ত কোনো প্রতিপক্ষ না থাকায় আওয়ামী লীগের সমর্থকেরা মনে করছেন, বিপুল ব্যবধানে জিতবেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। 

এই আসনে পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও নৌকা ছাড়া অন্য কারও যেন অস্তিত্বই পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও ছড়ি প্রতীকের দুই-একটি পোস্টার এবং ভোটকেন্দ্রে দু-একজন এজেন্ট থাকলেও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শামসুল আলম, জাতীয় পার্টির শাহজাহান ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের বাহারানে সুলতান বাহারের কোনো এজেন্ট দেখা যায়নি। কেন্দ্র বা এর আশপাশেও নেই তাঁদের কোনো পোস্টার।

ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, চারজন গ্রেপ্তার

মিরপুরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা কারাগারে

জুলাই অভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর রায় যেকোনো দিন

সেই ৪০০ কোটির পিয়ন জাহাঙ্গীরের ফ্ল্যাট-জমি ক্রোক, স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

সাভারে ‘ভোটের রিকশা’র উদ্বোধন করলেন রিজওয়ানা হাসান

সর্বোচ্চ ভাড়া বাড়ির দামের ১৫ শতাংশ, দুই বছরের আগে বাড়ানো যাবে না: ডিএনসিসির নির্দেশনা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা ফের গ্রেপ্তার, ৩৯১ পরোয়ানার তথ্য পুলিশের হাতে

‘ভবঘুরেকে যৌনাচারে লিপ্ত দেখলেই সানডে মানডে ক্লোজ করে দিতাম’, পুলিশকে ‘সাইকো’ সম্রাট