চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আল আমিনকে (৪১) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর বিদ্যুৎ গলিতে অবস্থিত নিজ বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আল-আমিন ওই এলাকার রিয়াজুল হকের ছেলে এবং ডিএসসিসির ৫০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রায়েরবাগ এলাকায় খুন ও সহযোগিতার অপরাধে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা মামলায় আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
থানা-পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী আল-আমিনের বিরুদ্ধে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলযজ্ঞসহ বিভিন্ন অপরাধে যাত্রাবাড়ী থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। পাশাপাশি মুন্সিগঞ্জ থানাতেও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এছাড়াও ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ মুন্নার ছত্রছায়ায় সে এলাকাবাসীদের জিম্মি করে নানা অপকর্ম করেছে।
এমনকি সড়ক ও জনপথের জায়গা দখলে নিয়ে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করে হোটেল ব্যবসা চালিয়েছে। এলাকায় আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সেক্টরে সারা বছর চাঁদাবাজি করায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীরা।
আল-আমিনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর কুখ্যাত আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে আজ সোমবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।