হোম > সারা দেশ > ঢাকা

নারী যাত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে বাসায় যাতায়াত, চুরি করে চম্পট রাইড শেয়ার চালক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার রায়েরবাগ এলাকার বাসিন্দা ফারুকী ইসলাম পুলক (৩১)। সুদর্শন এই যুবক পেশায় রাইড শেয়ার চালক। পুলক এক মধ্যবয়স্ক নারী যাত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে তাঁর বাড়িতে ‘দাওয়াতে’ যাওয়া-আসা করতেন। এর এক পর্যায়ে তিনি ওই নারীর বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে দেন চম্পট। 

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি বাসায় চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর পুলকের ব্যাপারে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গতকাল বুধবার যাত্রাবাড়ী থানার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগ। 

গোয়েন্দা পুলিশের ধারণা, অভিনব উপায়ে দীর্ঘদিন ধরে চুরি করে আসছিলেন পুলক। তিনি ফেসবুকে বয়স্ক নারীদের টার্গেট করতেন। এরপর তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে দেখা করতেন। পরে বিশ্বাস অর্জন শেষে বাসায় যেতেন দাওয়াত খেতে। এই দাওয়াতের সুযোগে চুরির রেকির কাজটিও সারতেন। এরপর সুযোগ বুঝে লুটে নিতেন নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। 

গতকাল বুধবার গ্রেপ্তারের সময়ে পুলকের কাছ থেকে স্বর্ণের লকেট, নথ নাকফুল, দুই জোড়া চুরি, স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া কানের দুল, একটি ডায়মন্ডের আংটি, ১০০ ইউএস ডলার, একটি আইফোন, একটি স্মার্ট ফোন ও ৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ডিবির রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ ফজলে এলাহী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এডিসি বলেন, রাজধানীর ধানমন্ডি থানার ৯ নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে চুরির অভিযোগে গত ১২ মার্চ একটি মামলা হয়। মামলায় ৩০ ভরি স্বর্ণ, ১২ লাখ টাকাসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি কথা উল্লেখ করা হয়। থানা-পুলিশের এক মাসের তদন্ত শেষে মামলা ডিবিতে আসে। এরপর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় যাত্রাবাড়ী থানার রায়েরবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুকী ইসলাম পুলক (৩১) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ চুরি যাওয়া বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা বিভাগের পরিদর্শক মাহবুবুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলক মূলত একজন রাইড শেয়ার চালক। মোটরসাইকেল চালানোর সূত্রে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন। তাঁর টার্গেট মূলত নারীরা। তিনি নারীদের সঙ্গে কৌশলে সখ্য গড়ে তুলতেন। এরপর বিশ্বাস অর্জন শেষে বাসায় যাতায়াত করতেন। এভাবে ২-৩ মাস আসা যাওয়ার পরে সুযোগ বুঝে চুরি করে আত্মগোপন করতেন। 

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, চুরি শেষে এই সকল মালামাল বিক্রি করে দিতেন। তবে তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার বিরুদ্ধে একটি পর্নোগ্রাফি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। সে দুটি বিয়ে করেছে। পরিবার নিয়ে যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকত।

মেট্রোরেলের কার্ডের রিচার্জ করা যাবে মোবাইল অ্যাপে

মুছাব্বির হত্যা: শুটার জিন্নাতের দায় স্বীকার, তিন আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বনশ্রীর ছাত্রীকে খুন করেন তার বাবার হোটেলের কর্মচারী: র‍্যাব

সন্তানদের অটোপাস চান অভিভাবকেরা, রাজউক কলেজে মানববন্ধন

ব্যবসায়ী আমিরুলের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে অব্যাহতি

হাদি হত্যার অভিযোগপত্রে আপত্তির বিষয়ে সময় চান বাদী, শুনানি পেছাল ৩ দিন

কুড়িল বিশ্বরোডে রেললাইন থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রীকে হত্যা: নিজেদের হোটেলের কর্মচারী আটক

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা