হোম > সারা দেশ > মানিকগঞ্জ

সাটুরিয়ায় ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, থানায় অভিযোগ

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি 

ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মো. ইদ্রিস আলী নামের এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার এ ঘটনায় সাটুরিয়া থানায় অভিযোগ দিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

অপহৃত মো. ইদ্রিস আলী সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামের মো. নজর আলীর ছেলে। তিনি ভুট্টা ও ধানের ব্যবসা করেন। এ ছাড়া মাহেন্দ্র গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে মালামাল আনা-নেওয়া করতেন।

পরিবার জানায়, মো. ইদ্রিস আলী গত শনিবার সন্ধ্যায় দেড় লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি।

স্থানীয়দের ধারণা, অপহরণকারীরা ইদ্রিস আলীকে নেশাজাতীয় কোনো পদার্থ খাইয়ে ভাটারা বাজার বা এর আশপাশের এলাকা থেকে অপহরণ করতে পারে।

ভুক্তভোগীর স্ত্রী নিপা আক্তার জানান, অপহরণকারীরা রোববার তিনবার ফোন দিয়ে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না দিলে তাঁর স্বামীকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়। একইভাবে আজ (সোমবার) অপহরণকারীরা ফোন দিয়ে বলে, টাকা জোগাড় হয়েছে কি না। পুলিশ, সাংবাদিকদের জানালে তাঁর স্বামীর লাশ পাঠিয়ে দেব বলে হুমকি দেয়।

নিপা বলেন, ‘মুক্তিপণের টাকা কোথায় দেব জানতে চাইলে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা দিতে বলে। অপহরণকারীরা বারবার আমার স্বামীর মোবাইল দিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।’

এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা মানবেন্দ্র বালো আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ পেয়েছি।’ অপহরণকারীদের প্রযুক্তির মাধ্যমে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য ও সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন প্রার্থীরা: টিআইবি

ঢাকা কলেজ-ধানমন্ডি আইডিয়ালের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, যান চলাচল বন্ধ

ঢাকা মেডিকেলে রোগীর মৃত্যুতে চিকিৎসককে মারধর, ২ ঘণ্টা সেবা বন্ধ

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথ: তিন বছরের প্রকল্পে এক যুগে কাজ ৫৪%

মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের ফ্ল্যাট সিলগালা

স্বল্প বাজেট, দুর্বল বাস্তবায়নের চাপে স্বাস্থ্যব্যবস্থা—কর্মশালায় উদ্বেগ

তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫ জন

ছিনতাইয়ের মোবাইল ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে ট্রেনের ছাদে যুবক খুন, দুই কিশোরসহ গ্রেপ্তার ৪

শিবির নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

রাজধানীতে দুর্ঘটনা বেশি ঘটে রাতে ও সকালে: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন