হোম > সারা দেশ > ঢাকা

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহিল কাফী ৮ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে রাজধানীর হাজারীবাগ থানার মামলায় ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আব্দুল্লাহিল কাফীকে আট দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামান রিমান্ডের এই আদেশ দেন। 

আজ সকাল ৭টার দিকে কাফীকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল কালাম আজাদ। শুনানি শেষে আদালত আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজারীবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মাহফুজ রিমান্ডের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন। 

এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি ধানমন্ডি জোনে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার থাকাকালে মামলার অপর আসামি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, পুলিশ কর্মকর্তা মারুফ হোসেন সরদার, হাজারীবাগ থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া এবং আসামি মাইনুদ্দিন কাজলসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জন মিলে ২০১৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডি থেকে মামলার বাদী প্রকৌশলী আরিফ মাইনুদ্দিনকে অপহরণ করেন। তাঁকে হাজারীবাগ থানাধীন অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রেখে মুক্তিপণ চেয়ে বাদীর পরিবার থেকে ১০ কোটি টাকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেন। 

গত ২৭ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী মামলা করলে মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য হাজারিবাগ থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়। 

এদিকে গত সোমবার রাত ১০টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাফীকে আটক করা হয়। পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমতি দেওয়ার পর আজ সকালে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। 

সম্প্রতি আশুলিয়া এলাকার একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়। ওই ফুটেজে দেখা গেছে, গত ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানা এলাকায় পুলিশ সদস্যরা একটি ভ্যানে একাধিক লাশ তুলছেন। ওই মরদেহগুলো পরে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানে তুলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে তা তদন্ত করতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তর জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুল্লাহহিল কাফী। তাঁর নির্দেশেই লাশগুলো পুলিশের পিকআপ ভ্যানে তোলার পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে সংবাদ ভাইরাল হয়। এরপর তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। 

আব্দুল্লাহহিল কাফী দীর্ঘদিন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ধানমন্ডি জোনে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সংস্পর্শে আসায় তিনি একজন প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান।

অবৈধ আয়কে ‘মায়ের দান’ উল্লেখ করেন সওজ প্রকৌশলী, দুদকের চার্জশিট

গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা নিউরোসায়েন্সেসে

সাবেক এমপি মমতাজের বাড়ি ও জমি ক্রোকের আদেশ

এলপিজি সিলিন্ডার তিন হাজার টাকা, পেট্রোবাংলা ঠুঁটো জগন্নাথ: রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব

হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাসায় চুরি, জামায়াত নেতার মৃত্যু

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে অবরোধের ঘোষণা

ভূমধ্যসাগরে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু: মানব পাচার চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

টেলিগ্রাম প্রতারণা চক্র: পাঁচ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, সিম জব্দ ৫১ হাজার

‘রেস্তোরাঁ ব্যবসা করপোরেটদের দখলে নিতে কৃত্রিম গ্যাস-সংকট’

রাজধানীর জুরাইনে মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দিনমজুরের মৃত্যু