ঢাকার সাভারে ‘স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মগোপনে’ থাকা অবস্থায় ৯ দিন পর শেখ রাব্বীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল শনিবার যশোরের মনিরামপুর থেকে গ্রেপ্তারের পর শেখ রাব্বীকে র্যাব আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে। আজ রোববার দুপুরে পুলিশ তাঁকে আদালতে সোপর্দ করে।
গ্রেপ্তার রাব্বী সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মহল্লাপাড়া গ্রামের শেখ মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় গাড়িচালক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার সুমাইয়া খাতুন খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মালথ গ্রামের মো. মনিরুদ্দদিন মোড়লের মেয়ে। তিনি একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তিন বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন তাঁরা। দুজনই আশুলিয়ার জিরাব এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
র্যাব জানায়, ১১ জানুয়ারি দুপুরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে সুমাইয়ার গলা টিপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করেন রাব্বী। পরে বাসায় তালা দিয়ে তিনি পালিয়ে যান। ঘটনার পরদিন নিহত সুমাইয়া খাতুনকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে মামলা করেন তাঁর বড় ভাই মো. মোশারফ হোসেন মোড়ল।
র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। কারণ, হিসেবে স্ত্রীর পরকীয়ায় জড়িত থাকার কথা বলেছেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার কথা রয়েছে।